musa লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
musa লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৯ ডিসেম্বর, ২০১৪

বয়স মাত্র পাঁচ। এ বয়সেই ছেলেটি 'মেনসা'র সদস্য হয়ে গেছে। মেনসা হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আইকিউ সমিতি যেখানে শুধু উচ্চমানের বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন লোকদেরকেই সদস্যপদ দেওয়া হয়। এই পরিচয়ই তার সব নয়। সে এমনই এক বালক যাকে এখন তুলনা করা হচ্ছে আইনস্টাইন, বিল গেটস ও স্টিফেন হকিং এর সাথে। তার আইকিউ ইতোমধ্যে ১৬০ ছুঁয়েছে। Wechsler Scale এই মানের বেশি আইকিউ তোলাই অসম্ভব। এ বিস্ময় বালকটির নাম শেরউইন। বাড়ি ব্রিটেনের দক্ষিণ ইয়র্কশায়ারে। তার পরীক্ষা নেওয়া মনোবিদের বক্তব্য হল, 'ওর বুদ্ধিমত্তার স্তর অতি উৎকৃষ্ট মানের'।

মেনসাতে সে যোগ দেয় তিন বছর বয়সেই। দশ মাস বয়সে কথা বলা শুরু, ২০ মাস থেকে পূর্ণাংগ বাক্য তৈরি করে করে সে তার বাবা, মা ও আত্মীয়স্বজনকে হতবাক করে দেয়। তার মানসিক বয়স এখন ৯ এর উপরে। কথা বলার সময়ও তাকে অনেক পরিণত মনে হয়।
মনোবিদ ড. পিটার কংটন বলেন, "এমন অতি বুদ্ধিমান শিশুদের নিয়েই আমি কাজ করি। কিন্তু তাকে পরীক্ষা করে আমি বুঝলাম, ও আসলেই একটু বিশেষ রকম স্পেশাল'
তার বয়সী ছেলেরা যেখানে এখনও স্কুলই শুরু করে না, সেখানে সে র‍্যাস্ট্রিক ইন্ডিপেনডেন্ট স্কুলে ৯ বছর বয়সীদের সমান স্তরের পড়াশোনা করছে।

শেরউইনের মা আমান্ডা বলেন, "ও সারাদিন প্রশ্ন করে বেড়ায়, আর আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি ভালো একটা উত্তর দিতে। আমার মনে হয় প্রশ্ন করার অভ্যাসই ওর বুদ্ধিমত্তা বাড়িয়ে দিয়েছে' 
বিশেষ কিছু গুণাবলীঃ
* তিন বছর হবার আগেই সে ২০০ পর্যন্ত গুণতে পারত, বিশ্বের সব দেশের নাম বলতে পারত এবং আইপ্যাড ইউজ করতে পারত।
* যে স্কুলে পাঁচ বছর না হলে ভর্তি হওয়া যায় না, সেখানে সে বয়স তিনে গড়াবার আগেই শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
* ছেলেটি জানে, কিভাবে আগ্নেয়গিরি কাজ করে, উল্কা পতিত হয়, দেহাঙ্গুণুগুলো কিভাবে কাজ করে।
আমান্ডা বলেন, " কয়েক দিন আগে সে রাত তিনটার সময় আমাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বলে, নিউটন কিভাবে মাধ্যাকর্ষণ আবিষ্কার করেছিল শোন!'

সূত্রঃ
১. ডেইলিমেইল
২. মিরর
৩. উইকপিডিয়া
Category: articles

২ ডিসেম্বর, ২০১৪

আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে ভর ও শক্তি একে অপরের রূপভেদ। অর্থ্যাৎ ভরকে শক্তিতে ও শক্তিকে ভরে রূপান্তর সম্ভব। ভরকে শক্তিকে রূপান্তরের ভয়াবহ পরিণতি দেখেছি আমার ২য় বিশ্বযুদ্ধে, যার ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করে জাপান। ভর থেকে শক্তি রূপান্তরের আরেকটি পরিচিত উদাহরণ হল সূর্য। প্রতিনয়ত এতে হাইড্রোজেন হিলিয়ামে রূপান্তরিত হয়ে বিপুল শক্তি তাপ ও আলো আকারে নির্গত করছে।
 আইনস্টাইনের ভর-শক্তি সমীকরণ থেকে দেখা যায় স্বল্প পরিমান বস্তু থেকে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। যেমন মাত্র ১ কেজি ভরের বস্তু থেকে ৯০০ কোটি কোটি জুল শক্তি পাওয়া যাবে।
জুলের হিসাব বোঝার জন্য বলা যায়, কোন বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগ করে এর এক মিটার পরিমাণ সরণ (অবস্থানের পরিবর্তন) ঘটাতে হলে যে পরিমাণ কাজ করতে হবে তাই এক জুল শক্তির সমান।  আরও সহজ করে বললে, এক সেকেন্ডে এক ওয়াট পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হলে বলা হবে এক জুল শক্তি ব্যয়িত হয়েছে।
স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে, ভর থেকে যদি শক্তি পাওয়া যা, তাহলে শক্তি থেকে ভর পাওয়া যাবে না?
হ্যাঁ, পাওয়া যাবে। এরও কিছু বাস্তব উদাহরণ আছে।
কোন বস্তুর তাপমাত্রা বাড়ালে তাপীয় শক্তির প্রভাবে এর ভর বেড়ে যায়। যেমন  প্লাটিনাম-ইরিডিয়াম সঙ্কর ধাতুতে তৈরি কেজির মানদণ্ডের তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়ালে ভের ভর এক পিকোগ্রাম (10−12 g) বেড়ে যায়। এছাড়াও ঘুর্ণনরত বলের ভর বেড়ে যায়, সঙ্কুচিত স্প্রিঙের ভর বেড়ে যায়। তবে এসবগুলো ক্ষেত্রেই পরিবর্তন হয় সামান্য। কারণ, সমীকরণ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, অল্প ভর থেকে বিপুল শক্তি পাওয়া যায়। তাহলে, অল্প ভর পেতেই ব্যয় করতে হবে বিপুল শক্তি, গণিতে অপক্ক হলেও এটা বোঝা সহজ!
ভর থেকে শক্তিতে রূপান্তরের আরেকটি উদাহরণ ঘটে কণা ত্বরকযন্ত্রে (Particle accelerators)। সেখানে অতি-পারমাণবিক কণিকা যেমন ইলেকট্রন ও পজিট্রনের সংঘর্ষে উৎপন্ন গতিশক্তির প্রভাবে তৈরি হয় সম্পূর্ণ নতুন  কণিকা।
অবশ্য, এই ক্ষেত্রে এসব কণিকাদের সমন্বিত করে পরমাণু, অণু বা আমাদের পরিচিত বস্তুতে রূপদান সম্ভব নয়। কারণ হচ্ছে আসলে শক্তি থেকে নিরেট বস্তু বানানো সম্ভব নয়। এই প্রক্রিয়ায় শক্তি থেকে উৎপন্ন হয় কণা ও প্রতিকণা (Anti-matter)। প্রতিকণার ধর্ম হল কণার সাথে ক্রিয়া করে উভয়ে ধ্বংস হয়ে আবার শক্তিতে পরিণত হওয়া। অবশ্য, পদার্থবিদরা চৌম্বকক্ষেত্র কাজে লাগিয়ে কিছু পরিমান প্রতিকণাকে আটকাতে পেরেছেন। কিন্তু কাজটি অনেক কঠিন।
সূত্রঃ
১. উইকিপিডিয়া 
২. নাসা 

Category: articles

১ ডিসেম্বর, ২০১৪

প্রফেসর স্টিফেন হকিং বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) বা এআই মানুষের বিনাশ ঘটিয়ে দিতে পারে। খবর, বিবিসির।

সম্প্রতি তাঁর যোগাযোগকে আরও সহজ করার জন্য একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। এটা সেট আপ করার পরে তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এআই আমাদের জীবনকে সহজ করছে, কিন্তু পাশাপাশি ঝুঁকি কিন্তু থেকে যাচ্ছেই।
বর্তমান সময়ের এই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী কথা বলেন স্পীচ সিন্থেসাইজারের মাধ্যমে।
প্রযুক্তির উত্তোরত্তর সমৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রযুক্তির কাছেই মানুষের হার মানার শঙ্কা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আরো পড়ুন এখানে
Category: articles